web stats মেয়র আনিসুল হকের জানাজায় তার ৯৫ বছর বয়সী বাবা অংশ নিয়েছে

শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

মেয়র আনিসুল হকের জানাজায় তার ৯৫ বছর বয়সী বাবা অংশ নিয়েছে

মেয়র আনিসুল হকের বাবা ৯৫ বছর বয়সী শরীফুল হক ছেলের নামাজে জানাজায় অংশ নিয়েছেন। তবে তিনি কবরস্থান পর্যন্ত যেতে পারেননি। শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন আনিসুল হক।

আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক, ছেলে নাভিদুল হক, দুই মেয়ে ওয়ামিক উমায়রা হক ও তানিশা ফারিয়াম্যান হক, নাতনি, ছোট ভাই সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকসহ স্বজনেরা দাফনের সময় পাশে ছিলেন।

ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ বিশিষ্টজনেরাও। দাফন শেষে মোনাজাতে অংশ নেন তারাসহ কবরস্থানের চারপাশে সমবেত সর্বস্তরের হাজার হাজার মানুষ।

এর আগে বাসায় হুইল চেয়ারে বসতেও তার যে কষ্ট হচ্ছে, তা শরীরের মৃদু কম্পনে স্পষ্ট হচ্ছিল যখন শরীফুল হককে তার ছেলের সামনে নিয়ে আসা হয়। ৯৫ বছর বয়সী শরীফুল হক দরজা পেরিয়ে কয়েক গজ সামনে গেলেন।

সেখানেই কফিনে শুয়ে আছেন তার আদরের মেঝো ছেলে আনিসুল হক। আনিসুল হকের কফিনের পাশে মাথা গুঁজে তখন বসে আসেন স্ত্রী রুবানা হক। রুবানার পাশেই হুইল চেয়ারে বসে শরীফুল হক।

কফিন ঘিরে তখন নিস্তব্দ নিরবতা। কফিনে শুয়ে থাকা মুখটির দিকে অপলক তাকালেন শরিফুল হক। হাত এগিয়ে আদর করলেন। সন্তানকে শেষবারের মতো আদর করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই তিনি।

অথচ শুক্রবার রাত পর্যন্ত শরিফুল হককে ছেলের মৃত্যুর খবর জানানোই হয়নি। শনিবার লন্ডন থেকে মরদেহ আনার পর বাবা শরিফুল হককে মেয়র আনিসুল হকের বনানীর ২৩ নম্বর রোডের বাসায় শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আইসিও অ্যাম্বুলেন্সে করে আনা হয়।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসি) মেয়র আনিসুল হক লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

শরিফুল হক তার ছোট ছেলে সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের বাসায় থাকেন। আনিসুল হক তার জীবদ্দশায় বরাবরই নিজের এগিয়ে যাওয়ার পেছনে বাবা শরিফুল হকের উৎসাহ আর মায়ের অনুপ্রেরণার কথা বলতেন।

এই বিভাগের আরো খবর


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com