web stats প্রতিদিন সকালের নাস্তায় একটি কলা খাওয়ার ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিন

মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮

প্রতিদিন সকালের নাস্তায় একটি কলা খাওয়ার ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিন

সবচেয়ে জনপ্রিয়, পরিচিত এবং সস্তা একটি ফল হল “কলা”। সহজলভ্য এই ফলটির পুষ্টিগুণ অনেক। সকালের নাস্তায় কী ফল খেলে ভালো হয় এটা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। খাবার তালিকায় কোন খাবারটা রাখলে ঝামেলা ছাড়াই স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর নাশতা হবে এটা নিয়েও অনেকেই ভাবেন। সকালের নাস্তায় হোক কিংবা বিকেলের নাস্তায় ফল খাওয়ার জন্য কলা একটি আর্দশ ফল। কলায় রয়েছে ভালো মাত্রার ক্যালরি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, খনিজ লবণ আরোও অনেক পুষ্টি উপাদান। সকালের নাস্তার পুষ্টিগুণ বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে প্রতিদিন অন্তত একটি করে কলা খান।

১। ওজন হ্রাস:

অনেকে মনে করেন কলা ওজন বৃদ্ধি করে। এটি ভুল ধারণা। একটি ছয় ইঞ্চি কলায় ৯০ ক্যালরি থাকে। এটি আঁশযুক্ত খাবার হওয়ায় সহজে হজমযোগ্য। খাবার খাওয়ার আগে একটি কলা খেয়ে ফেলুন। এটি আপনার বেশি খাওয়া প্রতিরোধ করবে।

২। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:

উচ্চ রক্তচাপের মূল কারণ সোডিয়ামের অনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ। কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে যা শরীরের সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। শরীরে পটাসিয়াম এবং সোডিয়ামে অসামঞ্জস্য দেখা দিলে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাইলে প্রতিদিন সকালে একটি কলা খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।

৩। বুক জ্বালাপোড়া দূর:

কলা বুক জ্বালাপোড়া দূর করতে বেশ কার্যকর। কলাতে প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর আছে যা পাকস্থলীর আলসার সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে দূর করে নিয়মিত কলা খাওয়ার কারণে এটি পাকস্থলীতে ঘা হওয়া প্রতিরোধ করে।
৪। পিএমএস নিয়ন্ত্রণ:-

কলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬ আছে যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। যা পিএমএস PMS( Premenstrual syndrome)কমাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে থাকে। এটি মাসিকের সময়কাল পেট ব্যথা, বুক ব্যথা দূর করে থাকে। তাই এইসময় নিয়মিত কলা খাওয়া উচিত।

৫। হার্ট সুস্থ রাখতে:

উচ্চ আঁশযুক্ত কলা হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। University of Leeds in UK এর মতে উচ্চ আঁশযুক্র কলা হৃদরোগ হওয়া ঝুঁকি হ্রাস করে। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় একটি কলা রাখুন।

এছাড়াও MIND এর একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যারা বিষণ্ণতায় ভোগেন তাদের কে কলা খাওয়ানো হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষন্নতা কিছুটা কমে যায়। কলায় আছে ট্রাইপটোফান নামের এক ধরনের প্রোটিন যাকে শরীর সেরোটনিনে পরিণত করে। সেরোটনিন শরীরকে শিথিল করে এবং মন ভালো করে দেয়। তাই সকালের নাস্তায় কলা খেলে বিষন্নতা দূর হবে এবং মন ভালো থাকবে। তাই আর দেরী না করে প্রতিদিন সকালের নাস্তায় কলা খাবার অভ্যাস তৈরি করুণ ।

এই বিভাগের আরো খবর


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com