web stats রাসূল (সা.) আগে মসজিদে যাওয়ার মাঝে ফজিলত সম্পর্কে যা বলেছেন

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

রাসূল (সা.) আগে মসজিদে যাওয়ার মাঝে ফজিলত সম্পর্কে যা বলেছেন

আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা দুনিয়ার মোহে পড়ে নিজের ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে খুব বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তাই সময় মতো মসজিদে যাওয়ার কথাও অনেকের মনে থাকে না। অনেক সময় দেখা যায় মসজিদে সবার পরে গিয়ে হুলস্থূল কাণ্ড ঘটিয়ে দেন।

সবাইকে সরিয়ে সরিয়ে একেবারে সামনের কাতারে গিয়ে বসার চেষ্টা করেন। ইসলাম এ ধরণের কাজ কখনো পছন্দ করে না। কারণ যে ব্যক্তি আগে মসজিদে যাবেন কেবল মাত্র তারই আগে বসার অধিকার রয়েছে। আর কেউ যদি পরে যায় সে যেখানে জায়গা পাবে সে খানেই বসে নামাজ আদায় করবে।

তবে মসজিদে পরে যাওয়ার মাধ্য কোনো ধরনের ফযীলত নেই বরং আগে যেতে পারলেই অনেক অনেক সওয়াবের অধিকারী হওয়া যায়। এই প্রসঙ্গে সর্বাধিক হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবী হযরত আবূ হুরায়রা (রা.) বলেন, عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: “…….لو يعلمون ما في التهجير لاستبقوا إليه……” [رواه البخاري: 615 ومسلم: 981]

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আর তারা যদি জানতো অগ্রিম নামাযে আসার ফজিলত কত বেশী, তাহলে অবশ্যই তারা আগেই (নামাযের জন্য) আসতো।” [বুখারী: ৬১৫, মুসলিম: ৯৮১]

সুতরাং রাসূল (সা.)এর এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মসজিদে আগে যাওয়ার মাঝে অনেক অনেক ফজিলত রয়েছে। তাই দুনিয়ার মোহে, দোকানে আড্ডা বা টেলিভিষনের সামনে বসে সময় নষ্ট না করে নামাজ শুরু হওয়ার আগে থেকেই আল্লাহর ঘর মসজিদে গিয়ে সময় কাটালে মহান আল্লাহ তা’য়ালা অনেক খুশি হন। আর এই জন্য পরকালে উত্তম পুরস্কারের ব্যবস্থা করে করে রেখেছেন মহান আল্লাহ।

রাসূল (সা.) আগে মসজিদে যাওয়ার মাঝে ফজিলত সম্পর্কে যা বলেছেন

আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা দুনিয়ার মোহে পড়ে নিজের ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে খুব বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তাই সময় মতো মসজিদে যাওয়ার কথাও অনেকের মনে থাকে না। অনেক সময় দেখা যায় মসজিদে সবার পরে গিয়ে হুলস্থূল কাণ্ড ঘটিয়ে দেন।

সবাইকে সরিয়ে সরিয়ে একেবারে সামনের কাতারে গিয়ে বসার চেষ্টা করেন। ইসলাম এ ধরণের কাজ কখনো পছন্দ করে না। কারণ যে ব্যক্তি আগে মসজিদে যাবেন কেবল মাত্র তারই আগে বসার অধিকার রয়েছে। আর কেউ যদি পরে যায় সে যেখানে জায়গা পাবে সে খানেই বসে নামাজ আদায় করবে।

তবে মসজিদে পরে যাওয়ার মাধ্য কোনো ধরনের ফযীলত নেই বরং আগে যেতে পারলেই অনেক অনেক সওয়াবের অধিকারী হওয়া যায়। এই প্রসঙ্গে সর্বাধিক হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবী হযরত আবূ হুরায়রা (রা.) বলেন, عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: “…….لو يعلمون ما في التهجير لاستبقوا إليه……” [رواه البخاري: 615 ومسلم: 981]

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আর তারা যদি জানতো অগ্রিম নামাযে আসার ফজিলত কত বেশী, তাহলে অবশ্যই তারা আগেই (নামাযের জন্য) আসতো।” [বুখারী: ৬১৫, মুসলিম: ৯৮১]

সুতরাং রাসূল (সা.)এর এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মসজিদে আগে যাওয়ার মাঝে অনেক অনেক ফজিলত রয়েছে। তাই দুনিয়ার মোহে, দোকানে আড্ডা বা টেলিভিষনের সামনে বসে সময় নষ্ট না করে নামাজ শুরু হওয়ার আগে থেকেই আল্লাহর ঘর মসজিদে গিয়ে সময় কাটালে মহান আল্লাহ তা’য়ালা অনেক খুশি হন। আর এই জন্য পরকালে উত্তম পুরস্কারের ব্যবস্থা করে করে রেখেছেন মহান আল্লাহ।

Loading...

এই বিভাগের আরো খবর


Loading…

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com