web stats মুমিন বান্দারা কোনো মুসলমান ব্যাক্তির নাম বিকৃত করে না

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

মুমিন বান্দারা কোনো মুসলমান ব্যাক্তির নাম বিকৃত করে না

অনেকেই রাগে বা ইচ্ছাকৃতভাবেই কারো নাম বিকৃত বা উপহাস করে ভিন্ন নামে ডেকে থাকেন। কিন্তু কারো নাম বিকৃত করার বিষয়ে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাহুআইহি ওয়াসাল্লাম।

তিরমিজি শরীফে আছে নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মুমিন কখনো দোষারোপকারী, অভিশাপকারী, অশ্লীল ও গালিগালাজকারী হয় না।

অন্য আরেক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.)বলেন, কোনো মুমিন ব্যক্তি কোনো মুসলমানের ডাক নাম বিকৃত করতে পারে না।
আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কোনো দল যেন অপর কোনো দলকে উপহাস না করে। কেননা যাদের উপহাস করা হল তারা উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং নারীরা যেন অপর নারীদের উপহাস না করে। কেননা যাদের উপহাস করা হল তারা উপহাসকারীর অপেক্ষা উত্তম হতে পারে। তোমরা একে অপরকে দোষারোপ করো না এবং মন্দ নামে ডেকো না। কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাদের মন্দ নামে ডাকা গোনাহের কাজ। যারা এহেন কাজ থেকে তওবা না করে তারাই জালেম। (সুরা হুজুরাত, আয়াত: ১১)

মক্কার কাফিরেরা নবীজীকে কত কষ্ট দিয়েছে, সাহাবিদের কষ্ট দিয়েছে, কিন্তু যখন আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের বিজয় দান করলেন তখন কাফিরদের প্রতি বিন্দুমাত্রও জুলুম করা হয়নি। তাদের জান-মাল, ইজ্জত সম্পূর্ণ নিরাপদ ছিল। নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন এবং মুমিনগণ আল্লাহর আদেশের অনুগত ছিলেন।

পবিত্র কোরআনে মুমিনদের আল্লাহতায়ালা বলেন, পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা কঠোর শাস্তিদাতা। (সুরা মায়েদাহ, আয়াত: ২)

আমাদের আদর্শ আল কুরআন ও নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ। আমরা সাহাবা, তাবেয়ীন এবং ফুকাহা, মুহাদ্দিসীনের আদর্শিক উত্তরাধিকারী। তাহলে আমরা কেন বিভ্রান্ত হব? এই আদর্শ আমাদেরকে আলোকিত পথে নিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।

আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলকে নম্রতা ও কোমলতা বজায় রেখে চলার তৌফিক দান করুন। (আমিন, ছুম্মা আমিন)

Loading...

এই বিভাগের আরো খবর


Loading…

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com