web stats জেনে নিন, রক্ত পরীক্ষার কিছু অজানা তথ্য

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

জেনে নিন, রক্ত পরীক্ষার কিছু অজানা তথ্য

শরীর কিছুটা অসুস্থ হলে অনেক চিকিৎসকই রক্ত পরীক্ষা করাতে দেন। কারণ রক্তের নমুনা থেকেই জানা যায় রোগের অনেক কিছু। ইনফেকশন, হার্ট সমস্যা, কিডনির সমস্যা, জন্ডিস, থাইরয়েড, এমনকি ক্যান্সারও সনাক্ত করা যায় রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে। কিন্তু এই রক্ত পরীক্ষার বেশ কিছু বিষয় আমাদের অজানা। এমনকি চিকিৎসকরাও বলেন না এগুলো।

জেনে নিন রক্ত পরীক্ষার কিছু অজানা তথ্য সম্পর্কেঃ-

নারী ও পুরুষ পার্থক্যঃ
রক্ত পরীক্ষার রেজাল্টে নারী ও পুরুষের মাঝে পার্থক্য থাকে। পুরুষের ক্ষেত্রে যেটাকে স্বাভাবিক মাত্রা ধরা হয়, সেটা নারীর ক্ষেত্রে নাও হতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ পুরুষের ক্ষেত্রে হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ১৩.৮ থেকে ১৭.২। নারীর ক্ষেত্রে তা হলো ১২.১ থেকে ১৫.১।

বয়স অনুযায়ী পার্থক্যঃ
রক্ত পরীক্ষার ফলাফলে বয়সের কারণেও পার্থক্য দেখা যায়। অর্থাৎ বেশ কিছু পরীক্ষায় ‘স্বাভাবিক মাত্রা’ নির্ধারণ করা হয় রোগীর বয়স মেপে। রক্তের পরীক্ষার মতোই রক্তচাপও বয়সের সাথে হেরফের হয়।

তবে এলডিএল কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা বয়স মেপে নির্ধারণ করা হয় না। সব বয়সেই এই পরীক্ষার ফলাফল ১০০ এমজি/ডিএল এর নিচে থাকলে সেটাকে স্বাভাবিক ধরা হয়।

পজিটিভ রেজাল্ট সব ক্ষেত্রে ভাল নয়ঃ
রক্ত পরীক্ষার রেজাল্টে ‘পজিটিভ’ মানেই মানেই সব সময় ভাল নয়। এইচআইভি, হেপাটাইটিস সি-সহ বেশ কিছু জটিল রোগের রেজাল্ট ‘পজেটিভ’ আসলে বুঝতে হয় রোগী সেই রোগে আক্রান্ত। অর্থাৎ রোগীর শরীরে ওই রোগের জীবাণু পাওয়া গেছে। এসব ক্ষেত্রে ‘নেগেটিভ’ দেখলেই বরং নিশ্চিন্ত থাকা যায়।

রিপোর্ট সঠিক নাও হতে পারেঃ
রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট ভুলও হতে পারে। বিশেষ করে এইচআইভির ক্ষেত্রে এমনটা বেশি হয়। এইচআইভি টেস্ট করা হয় রক্তের অ্যান্টিবডির পরিমাণের ওপর নির্ভর করে। রোগীর শরীরে যদি রিউমেটয়েড আথরাইটিসের সমস্যা থাকে সেক্ষেত্রেও অ্যান্টিবডি অনেক কমে যেতে পারে এবং এইচআইভি জীবাণু না থাকা সত্ত্বেও রেজাল্ট ‘পজিটিভ’ আসতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এই বিভাগের আরো খবর