counter বগুড়া-১, যশোর-৬ আসন উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

রবিবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বগুড়া-১, যশোর-৬ আসন উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

ডেস্কনিউজঃ বগুড়া-১ আসন ও যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

করোনা মহামারির মধ্যে ভোটগ্রহণ করায় মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। মাস্ক না পরলে কাউকেই ভোট দিতে দেয়া হবে না।। ব্যালটের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে চিন্তিত নয় নির্বাচন কমিশন। এই নির্বাচনের ব্যালটে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি-জাপার প্রার্থী থাকলেও ঘোষণা দিয়েই নির্বাচন বর্জন করছে বিএনপি ও জাপা।

বিএনপির পক্ষ থেকে মহামারি পার হওয়ার পরে এবং জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে কালকের দিনটি পিছিয়ে নির্বাচন আয়োজনের জন্য ইসিতে চিঠি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।

বগুড়া-১ আসন: মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর আসনটির উপ-নির্বাচনের বৈধ ছয় প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল মান্নানের সহধর্মিণী সাহাদারা মান্নান (নৌকা), বিএনপির একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির মোকছেদুল আলম (লাঙ্গল), প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) মো. রনি (বাঘ), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নজরুল ইসলাম (বটগাছ) ও স্বতন্ত্র ইয়াসির রহমতুল্লাহ ইন্তাজ (ট্রাক)।

এ নির্বাচনে মোট ৩ লাখ ১৭ হাজার ৫৬৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।

যশোর-৬ আসন: এ আসনে বৈধ তিন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছিলেন। তারা হলেন-আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহীন চাকলাদারকে (নৌকা), বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ) ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব (লাঙ্গল)।

এ আসনে ২ লাখ ৪ হাজার ৩৯৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ জানুয়ারি সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে বগুড়া-১ এবং ২১ জানুয়ারি ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে যশোর-৬ আসন ফাঁকা হয়। গত ২৯ মার্চ এই দুটি উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। করোনাভাইরাস সঙ্কটের কারণে ভোটের সপ্তাহখানেক আগে স্থগিত করা হয় নির্বাচন।

একইসঙ্গে বন্ধ রাখা হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনও। সংসদীয় আসন শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিন এবং দৈব-দুর্বিপাকের কারণে সম্ভব না হলে আরও ৯০ দিন- সব মিলিয়ে ১৮০ দিনের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংবিধানে নির্বাচনী আইনের এই ধারা মেনেই দুই আসনের ভোটের তারিখ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এই বিভাগের আরো খবর