counter ড. ওয়াজেদ মিয়ার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে রানা বখতিয়ারের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি

বুধবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ড. ওয়াজেদ মিয়ার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে রানা বখতিয়ারের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রবাসী ডেস্কঃ আজ ড. ওয়াজেদ মিয়ার ১২তম। মৃত্যুবার্ষিকী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরমাণুবিজ্ঞানী এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী এই বিজ্ঞানী ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন। ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার লালদীঘির ফতেহপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আবদুল কাদের মিয়া ও মা ময়েজুন্নেসার চার ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন এবং ’৬২ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন।
এক শোক বার্তায় অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রানা বখতিয়ার বলেন, ড. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং উনার রূহের মাগফেরাত কামনা করছি, আল্লাহ যেন উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন, আমিন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ফজলুল হক হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন এবং ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৬১-৬২ শিক্ষা বছরের জন্য হল ছাত্র সংসদের সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ’৬২ সালে শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলনে গ্রেফতার হন। ড. ওয়াজেদ মিয়া অনেক জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানবিষয়ক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর গবেষণামূলক ও বিজ্ঞানবিষয়ক অনেক প্রবন্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্রপত্রিকা এবং সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও এক মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। মৃত্যুর পর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাঁর লাশ দাফন করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর